মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৫ মার্চ ২০১৬

মাননীয় মন্ত্রী

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, মাননীয় মন্ত্রী

মীরসরাই উপজেলার এক ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম এস. রহমান তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, একজন পরিশ্রমী ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন যিনি ১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতায় তার ব্যবসা শুরু করেন।  ১৯৬৪ সালে এস রহমান কক্সবাজারে হোটেল সায়মন প্রতিষ্ঠা করেন এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ২০টি বিলাসবহুল মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ী দিয়ে চট্টগ্রাম কক্সবাজার রুটে "সিলভার এরো ট্রান্সপোর্ট" নামে একটি বাস সার্ভিস চালু করেন যা সে সময়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোরন সৃষ্টি করেছিল। দেশ বিভাগের পর চট্টগ্রামে তিনি ওরিয়েন্ট বিল্ডার্স নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প প্রসারে তার এ পদক্ষেপ এখনও চট্টগ্রাম কক্সবাজারের মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রামে তৎকালীন সময়ে পর্যটকদের একমাত্র আবাসিক হোটেল ‘‘মোটেল সৈকত’’ দীর্ঘ ১০ বছর পরিচালনা এবং চট্টগ্রামে একটি রোপ ফ্যক্টরী ও হার্ডওয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেন। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের দাদা মরহুম এফ. রহমানও একেধারে বিশ বছর ধরে তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্ট ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ছিলেন।

শিক্ষা জীবন

তিনি ১৯৫৮ সালে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে এস.এস.সি এবং ১৯৬১ সালে স্যার আশুতোষ কলেজ থেকে এইচ.এস.সি. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৬ সালে তিনি লাহোর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খনিজ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। এ সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনীতিতে অংশগ্রহণ

লাহোরে অধ্যয়নকালে তিনি ছয় দফা আন্দোলনের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সময় মিছিল সমাবেশে সরাসরি নেতৃত্ব দেন। ১৯৬৬ সালে ছয় দফার যৌক্তিকতা তুলে ধরে লাহোরে পূর্ব পাকিস্তানে অধ্যয়নরত ছাত্রদের সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র পরিষদের এক সমাবেশে তিনি সভাপতিত্ব করেন। লাহোর থেকে দেশে ফিরে মানুষের কল্যাণ করার মহান ব্রত নিয়ে চট্টল শার্দুল এম.এ. আজিজের হাত ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং স্বাধীনতা আন্দোলনে অতপ্রোতভাবে জড়িত হন। ১৯৭০ সালে তিনি সর্বপ্রথম তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পর তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮ সালে এবং গত ০৫ জানুয়ারী ২০১৪ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদে তিনি বিরোধী দলীয় হুইপের এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও সততার সাথে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি জাতীয় সংসদে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতিতে আসার পর তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বাকশাল এবং ’৭৭ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ১৯৮০ ও ৮৪ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯২, ১৯৯৬, ২০০৪ এবং ২০১২ সালে সভাপতি এবং একই সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একজন সৎ, ভদ্র, নম্র, স্পষ্টবাদী ও উদার মনোভাবের মানুষ হিসেবে নিজ দলের নেতাকর্মীসহ চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের নিকট তার সুনাম রয়েছে। রাজনীতি করতে গিয়ে এ সুদীর্ঘ সময়ে তিনি কখনও কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেননি এবং কোন সন্ত্রাসী লালন করেননি। তিনি কখনও নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে আপোষ করেননি। ’৭৫ পরবর্তী বিভিন্ন সরকারের মন্ত্রী পরিষদে     অন্তর্ভূক্ত হওয়ার আহবান তিনি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং নিজ দলের আদর্শে অবিচল থেকেছেন সব সময়। রাজনীতি করতে এসে মুক্তিযুদ্ধসহ বহুবার তিনি জীবন মৃত্যুর মুখোমুখী হয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ১৯৮০ সালে চট্টগ্রামের নিউমার্কেট চত্বরে তৎকালীন বিএনপি’র সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্তৃক তিনি এবং আওয়ামীলীগের অনেক নেতৃবৃন্দ আক্রান্ত হন। এসময় সন্ত্রাসীরা তাঁর পায়ের রগ কেটে দেয়। ’৮৮ সালে ২৪শে জানুয়ারী শেখ হাসিনার মিছিলে পুলিশ কর্তৃক গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা করার ঘটনায় তিনিও মারাত্মকভাবে আহত হন। ’৯২ সালের ৮ মে ফটিকছড়িতে জামায়াত ক্যাডারদের সশস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হয়ে অলৈাকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ

১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। হাতে গোনা যে ক’জন সংসদ সদস্য সে সময় সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন তাদের অন্যতম। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ১ নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী সৈন্যরা যখন দেশব্যাপী হত্যাযজ্ঞ গুরু করে তখন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে ২৫ ব্রিগেড পাকিস্তানী সৈন্য চট্টগ্রাম অভিমুখে রওনা দেয়। এ খবর জানতে পেরে তৎকালীন এম.পি.এ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন তার সাথীদের নিয়ে মীরসরাইর শুভপুর ব্রীজে অগ্নি সংযোগ করে ব্রীজটির মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে যানচলাচলের অনুপযোগী করে দেয়। ফলে পাকিস্তানী সৈন্যবাহী ২৬টি সাঁজোয়া যান চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশ করতে বেশ কালক্ষেপণ হয়। পরবর্তীতে তিনি সি.ইন.সি স্পেশাল ট্রেনিং নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন পরিচালনা করেন।

ব্যবসায় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন

মনে প্রাণে একটি রাজনৈতিক আদর্শকে লালন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে অর্থনৈতিক দুর্বলতা যেন জনসেবা থেকে তাকে দূরে রাখতে না পারে সে জন্য রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার পাশাপাশি তিনি তার পৈতৃক ব্যবসাসমূহ দেখাশুনা করেন। এক পর্যায়ে ১৯৮৩ সালে গ্যাসমিন লিমিটেড নামে একটি Engineering & Construction Firm প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পাইপ লাইনের কাজ করে আসছে। ১৯৬৪ সালে কক্সবাজারে তার পিতার প্রতিষ্ঠিত হোটেল সায়মনকে পরবর্তীতে আরো সম্প্রসারণ করে ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করেন।

মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে নিজে একজন প্রকৌশলী, স্বচ্ছ ও মুক্ত চিন্তার মানুষ হিসেবে মেধা, মনন ও প্রজ্ঞার সমন্বয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মন্ত্রণালয়ের কাজ পরিচালনা করেন। দায়িত্ব গ্রহণকালীন সময়ে বাংলাদেশ বিমানের নাজুক অবস্থা থেকে দ্রুততম সময়ে একটি সেবাধর্মী, দায়িত্বশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপান্তরে সক্ষম হন। তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে কোন অসন্তোষ ছাড়াই প্রতিবছর হজ্ব ফ্লাইটসমূহ সফলভাবে পরিচালিত হয়। তার সময়ে জিয়া        আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের টার্মিনাল ভবনের সম্প্রসারণ, কার্গো ভিলেজ স্থাপন, বহির্গমন লাউঞ্জের অবকাঠামো উন্নয়ন, অতিরিক্ত বোডিং ব্রীজ সংযোজন, কার পার্কিং নির্মাণ, আগমনী লাউঞ্জের উন্নয়নসহ পুরো বিমান বন্দরের অবকাঠামো ও আধুনিকীকরণ করা হয়। চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবী চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাজ শুরু করে নির্দিষ্ট সময়েরও পূর্বে শেষ করে চট্টগ্রামবাসীর প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন ঘটান। এ’ছাড়া সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বিমানের বহর সম্প্রসারণপূর্বক যাত্রী ও রাজস্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান কর্পোরেশনকে ২৫০০ কোটি টাকার সম্পদ সমৃদ্ধ জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন। পূর্তমন্ত্রী হিসেবে স্বল্প আয়ের লোকদের আবাসন সমস্যা নিরসনকল্পে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা তার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সরকারী কর্মকর্তাদের যোগসাজসে পূর্তবিভাগের জায়গা একশ্রেণী অসাধু-প্রভাবশালী ব্যক্তি জাল দলিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া তিনি কঠোর হস্তে দমন করেন। সংশ্লিষ্ট অসাধু মহলকে মোকাবেলা করতে গিয়ে তাকে বেশ কয়েকবার আদালতে হাজিরা দিতে হয়। কক্সবাজারে বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত ও প্রকৃতির অনুপম নৈসর্গিক সৌন্দর্য রক্ষার্থে তিনি সৈকত সংলগ্ন সরকারী জমি বরাদ্দ প্রদান বন্ধ করেছিলেন। পরবর্তী সরকার যা দলীয়করণের মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়। খোদ রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন মহল পুকুর, নালা, জলাশয়, লেক ভরাট করে দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ও প্রকৃতির যে বিপর্যয় ঘটিয়ে আসছিল তা ঠেকাতে তিনি উদ্যোগী হয়ে জাতীয় সংসদে জলাধারা আইন-২০০০ অনুমোদন করেন। তৎকালীন সময়ে তার এই উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়। ভূমি দস্যুদের হাত থেকে সরকারী সম্পত্তি রক্ষায় তিনি সরকারী জমি অবমুক্তকরণ প্রক্রিয়াও বন্ধ করেন। সরকারী জমিতে রাজউকের মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ১০০০ ফ্ল্যাটের সমন্বয়ে ‘ন্যাম ভিলেজ’ প্রতিষ্ঠা করেন। চট্টগ্রামের ডিসি হিলে একটি স্থায়ী মঞ্চ ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রামের সংস্কৃতিসেবী ও সাধারন মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙক্ষার বাস্তবায়ন ঘটান।

সমাজসেবায় ভূমিকা

চট্টগ্রাম তথা জাতীয় রাজনীতিতে অবদানের পাশাপাশি তিনি নিজেকে নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন। এলাকার রাস্তা-ব্রীজ, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও এলাকার সার্বিক উন্নতি এবং সন্ত্রাস বন্ধে তিনি ছিলেন সর্বদা সোচ্চার। ১৯৬০ সালে তার পিতা মরহুম এস. রহমান সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে নিজ গ্রামে এফ. রহমান হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৬৪ সালে ঐতিহ্যবাহী নিজামপুর কলেজ প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন অন্যতম উদ্যোক্তা ও দাতা। এরই ধারা বাহিকতায় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন পাঞ্জেবুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মীরসরাই হাই স্কুল, জাফরাবাদ হাই স্কুল, জোরারগঞ্জ গার্লস হাই স্কুল, ফাতেমা পল্লী গার্লস হাই স্কুল, বারৈয়ার হাট গার্লস হাই স্কুল, মীরসরাই কলেজ, বারৈয়ারহাট কলেজ, জোরার গঞ্জ মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এলাকায় দ্বীনী শিক্ষা প্রসারে তিনি মীরসরাই লতিফিয়া মাদ্রাসাকে কামিল মাদ্রাসায় উন্নীত করেন। সম্প্রতি তিনি তার পিতার প্রতিষ্ঠিত নিজ গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এফ. রহমান স্কুলকে জলেজে উন্নীত করেন। এছাড়া তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত এস. রহমান ট্রাষ্ট এতদঞ্চলের শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

পারিবারিক জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৩ (তিন) পুত্র ও ১ (এক) কন্যা সন্তানের জনক।


Share with :